রোহান আর মাহাদীর স্বপ্ন থেমে গেল গুলিতে
রোহান আহমেদ খান আর মাহাদী হাসান (পান্থ) ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে একসঙ্গে বড় হয়েছেন। রোহান বিজ্ঞান আর মাহাদী কমার্স থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষে গত ১৯ জুলাই গুলিবিদ্ধ হন তাঁরা। রোহান মারা যান দুপুরে আর মাহাদী সন্ধ্যার আগে। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তাঁরা সরাসরি কোটা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন না। হয়তো পরিস্থিতি দেখতে গিয়েছিলেন। তবে যাত্রাবাড়ীর ঠিক কোন জায়গায় তাঁরা গুলিবিদ্ধ হন, তা পরিবারের সদস্যরা জানেন না। উদ্ধারকারী ব্যক্তিরা হাসপাতাল থেকে মুঠোফোনে তাঁদের গুলি লাগার কথা জানান। রোহান আর মাহাদীর বাসা যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ দনিয়ায় কাছাকাছি দূরত্বে। মাহাদীর বাসা পাটেরবাগে আর রোহানের বাসা বায়তুস সালাম জামে মসজিদ রোডে। তাঁরা বন্ধু ছিলেন। বুধবার দুপুরে তাঁদের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, কলেজের পোশাক ও বইপত্র ঠিক সেভাবেই সাজানো রয়েছে। শুধু মানুষ দুজন নেই। ক্ষতিপূরণ চান না মাহাদীর বাবা মাহাদী পড়তেন নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে। ১৯ জুলাই শুক্রবার বিকেল চারটার পর ‘একটু ঘুরে আসছি’ বলে ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। দুপুরে বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন আর অনার্সে পড়া বড় ভাই মে...