শহীদ রাকিবকে এলাকায় দাফনও করতে পারেননি স্বজনরা!
চারদিকে ভাঙচুর, আগুন। মনে ভয় জাগে কী হবে। মা ও ভাইসহ তিনজনের পরিবার। এমনিতে অভাব পিছু ছাড়ছে না তাদের। সংসার তো চালাতে হবে। তাই ভয়কে উপক্ষো করেই কাজে যান নির্মাণ শ্রমিক রাকিব। ১৯ জুলাই সকালে সাভারের নর্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি গ্রিল কারখানায় কাজে ছিলেন তিনি। বিকালে বাসায় ফেরার পথে হঠাৎ একটি গুলি তার গলা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। আর বাসায় ফেরা হয়নি তার। এসব কথা বলতে বলতে কাঁদছিলেন শহীদ রাকিবের মা সুইটির আক্তার। তার গলা জড়িয়ে যাচ্ছিল। একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে বাবা বাবা বলে চিৎকার করছিলেন। রাকিবের গ্রামের বাড়ি নবাবগঞ্জের চুড়াইন ইউনিয়নের কামারখোলা গ্রামে। স্বজনরা বলেন, রাকিব কাজ শেষে বাসায় ফেরার সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছিল। হঠাৎ একটি গুলি তার গলা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মারা যান রাকিব। রাকিবের মা সুইটি আক্তার জানান, ২০ বছর আগে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যায়। সন্তানদের বুকে নিয়েই জীবন চলছিল তার। তিন ছেলে নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খান সুইটি। পরে গাজীপুরে কখনো পোশাক কারখানায়, কখনো প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে সংসার চালাতেন।...