জহিরুলের হাতে-পাঁজরে গুলি করে পুলিশ
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন তখন এক দফার আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। উত্তপ্ত সারা দেশ। ৪ আগস্ট সকাল থেকেই ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে এসেছে। বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বংশালে আন্দোলনে অংশগ্রহণকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন জহিরুল ইসলাম সোহাগ। জহিরুল কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার মহেশপুর গ্রামের মৃত শাহ আলম সরকারের ছেলে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সরেজমিনে কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলা মহেশপুর গ্রামে গিয়ে জানা যায়, নিহত জহিরুল ইসলামের বাবা ২০০৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যুর পর তার মা মোর্শেদা বেগম দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়ে ছেলে জহিরকে বিয়ে করিয়ে সুখের সংসারে কাটাচ্ছিলেন। ৪ আগস্ট ওই সুখের সংসারে যেন অন্ধকার নেমে এলো, থমকে গেল নিহত জহিরুল ইসলামের তিন বছর বয়সি মেয়ে জাকিয়া সুলতানা ঝুমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। ভিটেমাটি ছাড়া আর কোনো সম্পদ বা সম্পত্তি নেই যা দিয়ে নিশ্চিন্তে সংসার চলবে। ঘরে একমাত্র সম্বল একটি সেলাই মেশিন। এই অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ মেনে নিয়ে চার চালা টিনশেড ঘরে শাশুড়ি ও কন্যাসন্তানকে নিয়ে বসবাস করছেন নিহত জহিরুল ইসলামের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস। জান্নাতুল ফেরদৌস আমার দেশকে বলেন, আমার স্বামী জহিরুল ইসলাম সোহাগ (২৭)...